এভারকেয়ার বিডি
প্রকাশনা
banner

হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack / Myocardial Infarction) লক্ষণগুলো সাধারণত হঠাৎ করেই শুরু হয়। তবে অনেক সময় ধীরে ধীরে দেখা দিতে পারে। প্রধান লক্ষণগুলো হলো—

  • বুকে ব্যথা বা চাপ – বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা, ভারি চাপ বা জ্বালাপোড়া অনুভূত হওয়া।
  • ব্যথা ছড়িয়ে পড়া – ব্যথা হাত (বিশেষত বাম হাত), ঘাড়, চোয়াল বা পেট, পিঠ পর্যন্ত ছড়াতে পারে।
  • শ্বাসকষ্ট – স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
  • ঘাম – বুক ব্যথার পাশাপাশি অস্বাভাবিক ঘাম হওয়া।
  • বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
  • মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়া
  • দুর্বলতা ও ক্লান্তি – হঠাৎ প্রচণ্ড দুর্বল লাগা।

মহিলা, ডায়াবেটিস রোগী ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে দেখা দিতে পারে:

  • শুধু শ্বাসকষ্ট
  • বমি বমি ভাব
  • পিঠে ব্যথা
  • হঠাৎ ক্লান্তি

হার্ট অ্যাটাক হলে কী করবেন (First Aid গাইডলাইন)

  • অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন – দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিন।
  • রোগীকে শান্ত রাখুন – রোগীকে বসতে দিন বা শোয়া অবস্থায় রাখুন, টাইট জামা-কাপড় ঢিলা করে দিন।
  • অক্সিজেন দিন (যদি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে) – শ্বাসকষ্ট থাকলে অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করুন।
  • CPR শুরু করুন – অচেতন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস না নিলে বুকের মাঝখানে হাত রেখে প্রতি মিনিটে 100–120 বার চাপ দিন।

যা করবেন না

  • লোকাল চিকিৎসা বা ফার্মেসিতে সময় নষ্ট করবেন না।
  • রোগীকে হাঁটানো বা দৌড় করাবেন না।
  • আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করবেন না।

Golden Hour-এ করণীয়

  • দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান (যেখানে হার্টের জরুরি চিকিৎসা হয়)।
  • চিকিৎসকের পরামর্শে থ্রম্বোলাইটিক ওষুধ বা এঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়।
  • যত দ্রুত ধমনী খুলে দেওয়া যায়, তত বেশি হার্ট সুরক্ষিত থাকে।

প্রথম ১ ঘণ্টা = জীবন বাঁচানোর সোনালী সময়

৩ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা = ভালো রিকভারি সম্ভব

৬ ঘণ্টা পর = হার্টের অনেকাংশ স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়



আপনার বিস্তারিত তথ্য জমা দিন