অধ্যাপক ডাঃ হাসিব রহমান ২০০০ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০০৬ সালে সার্জারিতে এফসিপিএস এবং ২০১০ সালে প্লাস্টিক সার্জারিতে এমএস সম্পন্ন করেন। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস থেকে এফসিপিএস (সার্জারি) পরীক্ষায় তিনি স্বর্ণপদক অর্জন করেন। এরপর তিনি ২০১১ সালে হ্যান্ড অ্যান্ড রিকন্সট্রাক্টিভ মাইক্রো সার্জারিতে ভারতের কোয়েম্বাটোর চেন্নাই-এ অবস্থিত গঙ্গা হাসপাতালে ফেলোশিপ ট্রেনিং সম্পন্ন করেন।
তিনি সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি-এর প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
তিনি বাংলাদেশের মাইক্রোসার্জারির অগ্রদূত। তিনি রিপ্ল্যান্টেশন, জটিল ট্রমা ও ক্যান্সার রিকন্সট্রাকশন বিশেষ করে মুখের ক্যান্সার রিকন্সট্রাকশন ও ট্রমা পরবর্তী অঙ্গ পুনর্গঠন জনপ্রিয় করে তুলেছেন। শরীরের বিভিন্ন অংশের ক্যান্সার অপসারণের পর পুনর্গঠন ও জটিল ক্ষত ব্যবস্থাপনায়ও তার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তিনি জন্মগত হাতের ত্রুটি চিকিৎসা, ঠোঁট কাটা ও তালু কাটা সার্জারি-তে অত্যন্ত অভিজ্ঞ। তিনি ২০১২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক 'স্মাইল ট্রেইন' সংস্থার সাথে যুক্ত আছেন এবং ঠোঁট ও তালু কাটা রোগীদের ১০০০টিরও বেশি সার্জারি সম্পন্ন করেছেন।
হাতের সার্জারি, টেন্ডন ও স্নায়ু পুনর্গঠন, হাতের আঘাত, স্নায়ু ও টেন্ডন স্থানান্তর এবং জন্মগতভাবে হাতের ত্রুটি পুনর্গঠন বিষয়ে তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।
ডাঃ হাসিব নিয়মিতভাবে মাস্টেক্টমির পর ব্রেস্ট রিকন্সট্রাকশন ছাড়াও মাস্টোপেক্সি, ব্রেস্ট রিডাকশন, ব্রেস্ট অগমেন্টেশন ও গাইনেকোমাস্টিয়ার মতো বিভিন্ন ধরনের ব্রেস্ট ও অ্যাস্থেটিক সার্জারি করে থাকেন।
তিনি অ্যাবডোমিনোপ্লাস্টি, লাইপোসাকশন, রাইনোপ্লাস্টি, ফেসলিফট, ব্লেফারোপ্লাস্টি ইত্যাদিসহ অন্যান্য অ্যাস্থেটিক সার্জারিও করে থাকেন।
তিনি নিয়মিত শরীরের বিভিন্ন অংশের স্কিন ক্যান্সারের সার্জারি করে থাকেন।
তিনি পোড়া ও পোড়াজনিত কারণে সৃষ্ট বিকলাঙ্গতা, নার্ভ ইনজুরি, টেন্ডন ইনজুরি, বেডসোর এবং গাইনেকোমাস্টিয়ার সার্জারি করেন। তীব্র দগ্ধ রোগীর চিকিৎসা এবং দগ্ধ-পরবর্তী সংকোচনজনিত সমস্যার ব্যবস্থাপনায় তার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে।